হামলাকারীকে সাথে নিয়ে সালথা ভাংচুর পরিদর্শন করেন -শামা ওবায়েদ


ফরিদপুরের সালথায় সোমবার ১৯ মে বিকাল ৫ ঘটিকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু রাংগারদিয়ার হামলকারী কে সংগে নিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিদর্শন করেন ।
শামা ওবায়েদ রিংকু হামলাকারীকে সাথে নিয়ে আসছে এ ব্যাপারে সালথা বিএনপির সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান তালুকদার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান সাখাওয়াত হোসেন জয়নাল রাংগারদিয়া নেত্রী পৌছাইবার আগেই তিনি ওখানে উপস্থিত হয়ে ছিলো। কেউ যদি বলে /মন্তব্য করে যে তাকে সাথে নিয়ে আসছে এটা সম্পূর্ণভুল, আমিত নিজেই নেত্রীর সাথে ছিলাম তিনি জয়নাল কে আসতে বলেননি সে নিজ থেকে এসেছে।
এ ব্যাপারে সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক বলেন হামলাকারী জয়নাল কে নেত্রী সাথে নিয়ে আসেনি ,তিনি যদি এ কথা কাউকে বলেন যে আমাকে সাথে নিয়ে আসছে তাহলে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কারন আমদের নেত্রী শামা ওবায়েদ রিংকু কখনো অন্নায়কারীকে পছন্দ করেন না।
এ্যাড: এ আর লিটন-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদপুর জেলা যুবদল এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ফরিদপুর জেলা তিনি বলেন আমাদের নেত্রী জনপ্রিয় নেত্রী তিনি সোনাপুর আসবেন অনেকেই জানেন এবং নিজ তাগিদেই এসেছেন। যদি কেউ বলেন আমাকে নেত্রী সাথে করে নিয়ে এসেছেন এটা অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন রাংগারদিয়া স্লুইসগেইট এর পাকা রাস্তায় উপস্থিত জনগন তাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রীর সাথে রাংগারদিয়ায় বাড়ি ঘর ভাংচুরকারিকে দেখে হতবাক হয়ে পড়ে ও কিছুটা হৈচৈ শুরু হয়।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ক্ষতিগ্রস্থ্য জনগনের পাশে দাড়াতে তিনি ছুটে আসেন সোনাপুর ইউনিয়নে রাংগারদিয়া গ্রামে কিন্তু বৃষ্টির কারনে তিনি প্রতিটি ঘরে যেতে না পেরে দু:খ প্রকাশ বলেন আমি সুযোগ পেলেই ইন্শাল্লাহ ক্ষতিগ্রস্থ্য সকলের সাথে সাক্ষাত করবো। এর আগে তিনি মোন্তার মোড় বাজারের আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলি পরিদর্শন করেন এবং বলেন আপনারা যারা এই বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমার জন্য দাড়িয়ে আছেন আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ,সালথা উপজেলা থানা বিএনপির সভাপতি জনাব ছিদ্দিকুর রহমান তালুকদার। সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আছাদ মাতুব্বর, বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর,সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: আজিজুল হক, এ্যাড: এ আর লিটন-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদপুর জেলা যুবদল এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ফরিদপুর জেলা।
হুমায়ুন খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহিদুল হাসান লাভলু, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের নেতা ইসরাইল মাতুব্বর,এছাড়াও সালথা উপজেলা ও সোনাপুর ইউনিয়নসহ অন্নান্য ইউপির বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১১ মে সোনাপুর ইউনিয়নের রাংগারদিয়া গ্রামে দিনদুপুরে জয়নাল/লাবলু বাহিনী ও তার ভাড়াটে লোকজন ৩০টি পরিবারের বাড়িঘর গুড়িয়ে দেয় ও লুটপাট করে। লুটপাটের ঘটনা এর আগে পরিদর্শন করেছেন সালথা উপজেলার বিএনপির সভাপতি ও সোনাপুর ইউপির বিএনপি সভাপতি। ও এ্যাড:.এ আর লিটন-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদপুর জেলা যুবদল এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ফরিদপুর জেলা।
উল্লেখ্য ১০ মে শুক্রবার রাতে ও শনিবার ১১ মে সকালে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাঙ্গারদিয়া গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ-ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ৩০টি ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটাপাট করা হয়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.







