সালথায় মানবতার ফেরিওয়ালা নামে পরিচিতি হচ্ছেন মুহাঃ ছরোয়ার হোসেন


মানবিকতার পরিচয় দিয়ে সালথা উপজেলায় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরার সাদা মনের মানুষ মুহাম্মদ ছরোয়ার হোসেন।
শীতের রাতে দুঃস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণসহ গরিব, অসহায়, পঙ্গু ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর বাড়ি বাড়ি ঘুরে তাদের সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছেন। এতে দরিদ্র এলাকার বিভিন্ন পেশার অসহায় জনগোষ্ঠী উপকৃত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
মানবিক কাজে সহায়তা পেয়েছেন মেধাবী দুস্থ শিক্ষার্থী, ঋণগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তি, চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত অসহায় রোগী, শীতার্ত দুঃস্থসহ অবহেলিত জনগোষ্ঠী।ফরিদপুরের সালথায় মানবতার ফেরিওয়ালা নামে ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হচ্ছেন মুহাম্মদ ছরেয়ার হোসেন। তার সাহায্য পৌছে যাচ্ছে গরিব দূঃখী মানুষের কাছে।

পরিচিতিঃ–বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী সমাজ সেবক গরিবের বন্ধু মুহাম্মদ ছরোয়ার হোসেন.তিনি ফুকরা গ্রামের “সমভ্রান্ত” পরিবারের সন্তান ,ইউনিয়ন-সোনাপুর,উপজেলা –সালথা, জেলা-ফরিদপুর ।
জনৈক ব্যক্তির কাছ থেকে জানা যায় ইতিমধ্যে মুহাঃ ছরোয়ার হোসেন যে সকল কাজের জন্য আলোচনায় এসেছে,সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন এর ফুকরা নিবাসী অসহায় বিধবা মহিলার ঘর নির্মাণ বাবদ ৬০০০০/(ষাট হাজার) টাকা দিয়েছেন ও সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এক বৃদ্ধার ঘর নির্মান বাবদ ২০০০০/-(বিশ হাজার) টাকা।
ফুকরা গ্রামের অসহায় নারীর ঘর নির্মাণ বাবদ ২৫০০০(পঁচিশ হাজার) টাকা। ফুকরা দক্ষিণপাড়া জনবহুল রাস্তা যেটা দিয়ে কৃষিজাত ফসল নেওয়া আনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যার জন্য নিজ খরচে ইটের রাস্তা নির্মাণ বাবদ ৩২০০০০/( তিন লক্ষ বিশ লক্ষ হাজার) টাকা দিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করে দেন।

দক্ষিণ পাড়া মসজিদ নির্মান বাদ ৬০০০০/(ষাট হাজার,) টাকা, ফুকরা মধ্যপাড়া ঈদগাহ-৫হাজার ইট, তেলি সালথা মসজিদ নির্মান ( ২ হাজার ইট) চাঁদপুর মাদ্রাসা নির্মাণ বাবদ ১ লক্ষ টাকা। এবং চাঁদপুর পূর্বপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদ নির্মাণ বাবদ ৪০০০০০/(চল্লিশ হাজার) টাকা, গোপালিয়া মাদ্রাসা ২৫০০০/(পঁচিশ হাজার) টাকা., ফুকরা উত্তর পাড়া মাদ্রাসার কার্পেট বাবদ ৩৬০০০/(ছত্রিশ হাজার) টাকা, কম্বল বিতরণ বাবদ ২০০০০০/ (দুই লক্ষ) টাকা দান করেন।
মুহাম্মদ ছরোয়ার হোসেন জানান মানুষের হাসিমাখা মুখ দেখতে, পাশাপাশি তাদের হাতে কিছু উপহার দিতে ও মানবিক কাজ করে আত্মতৃপ্তি পাই। কারো কোনো উপকার করতে পারলে নিজের কাছেও ভালো লাগে। আমি গোপনে দান করতে ভালবাসী।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে দৈনিক ভোরের বার্তাকে জানান, সোনাপুর ইউনিয়নবাসী যদি আমাকে তাদের সেবক হিসাবে চান তাহলে তখন ভেবে দেখবো। আমি সমাজের বৃত্তবানদের প্রতি আহ্ববান করতে চাই আসুন আমার সকলে মিলে অসহায় ব্যক্তিদের পাশে সাহেয্যের হাত বাড়াই।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.











কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে