ছরোয়ার হোসেন-এর সাথে একত্র দল করার সিদ্ধান্ত নিলেন সোনাপুরের বিষু মিয়া


ফরিদপুরের সালথায় মুহাঃ ছরোয়ার হোসেন সাথে একত্র দল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সোনাপুরের বিষু মিয়া। নিজ বাসস্থানে উঠান বৈঠকে তিনি জন সম্মুখে একথা বলেন ও একইসঙ্গে পথচলার (দল) করার অঙ্গিকার করেন।
আজ শুক্রবার (৭ই আগষ্ঠ জুলাই ) বিকাল ৩ঘটিকায় সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে বিষু মিয়ার বাড়িতে উঠান বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আজিজুল হক এর সভাপতিত্বে ও মোঃ আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গরীব দুঃখী জনের বন্ধু সমাজ সেবক ও ক্রীড়াপ্রেমী মুহাঃ ছরোয়ার হোসেন।
আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ তারা মিয়া- নটখোলা,মোঃ ফজলু মাতুব্বর, আবুল খায়ের,বাদশা মাতুব্বর,লিয়াকত মাতুব্বর,মোঃ জালাল মাতুব্বর,মান্নান মাতুব্বর,মোঃ টুকু মাতুব্বর,মিরাজ হোসেন, আজাদ,ওবায়দুর খাঁ, মোঃ সিয়াম হোসেন ও লালনসহ অন্যান্ন এলাকা থেকে আগত লোকজন।
মোঃ বিষু মিয়া তার বক্তব্যে বলেন আজ হতে আমি আজিজুল হক ও মুহাঃ ছরোয়ার সাথে দল করবো এবং তাদের সুখ ও দুঃখের সাথি হবো তারাও আমার সাথে থাকবে ইনশাল্লাহ। তিনি আরো বলেন আমি এতদিন শুধু শুনেছি আজ আমি নিজেই ছরোয়ার হোসেন এর ব্যবহার ও ভালবাসায় মুগ্ধ। অন্যান্ন বক্তাগণ বলেন আমরা এতাদিন একটা গোষ্ঠিকে ভোট দিয়ে এসেছি তার বিনিময়ে আমরা পেয়েছি ভাইতে ভাইয়ের সাথে ও একদল আরেক দলের সাথে কাইজ্জা ফ্যাসাদ লাগিয়ে মাঝখান থেকে তাদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে।

একজনকে বলেছে টাকা লাগবে ত্রিশহাজার অন্যজনকে বলেছে তুমার টাকা লাগবে বিশ হাজার এভাবে থানায় দিয়েছে দশ হাজার আর বাকি টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকিয়েছে। এই বিষয়টি এখন ভুক্তভোগী মানুষজন বুঝে গিয়েছে যার কারণে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে । অন্য এক বক্তা বলেন আল্লাহ ছরোয়ার ভাইকে যতটুকু টাকা পয়সা দিয়েছেন তাতে তিনি পরিষদের একটি পয়সাও অপচয় করবে না।
সভার প্রধান অতিথি মুহাঃ ছরোয়ার হোসেন বলেন-
আমরা কতোবড় ভাগ্যবান যে শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর মতো নেত্রী পেয়েছি,যে নেত্রী বলেন আমার কাছে কথা নয় কাজ নিয়ে আসুন এলাকার উন্নয়নে আমাকে সওয়তা করুণ। আপনারা দেখেছেন নেত্রী যে সকল ওয়াদা করেছিলেন তার কিন্তু বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েগেছে।
আমি প্রতিশ্রুতি নয়, কাজের মাধ্যমে আপনাদের আস্থা অর্জন করতে চাই। জনগণের সেবা করাই হবে আমার প্রথম অঙ্গীকার।”ইউনিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা হবে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত। কোনো অনিয়মকে আমি প্রশ্রয় দেব না।”
“ধনী-গরিব, দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিক সমান সম্মান ও ন্যায়বিচার পাবেন।”যুবসমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”নারী, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীসহ সকল মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করব।”
“রাস্তা, সেতু,, বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করব।”সরকারি অনুদান ও উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিটি টাকার হিসাব জনগণের কাছে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা হবে।”
জনগণের মতামত ছাড়া কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। ইউনিয়ন পরিষদ হবে জনগণের উন্মুক্ত সেবাকেন্দ্র।”মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব।”
আপনাদের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান হিসেবে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সর্বদা কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ।
আমরা মানুষকে ভালবাসা দিয়ে কাছে রাখতে চাই জোর করে নয়,কোন চোখ রাঙ্গিয়ে নয়, ভালবাসা ও ভাল ব্যবহারই আমাদের প্রধান অস্ত্র,আমরা গরীব দুঃখীদের ও কষ্টের সময় পাশে থেকেছি এবং পাশে থাকবো আল্লাহ যদি আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.















কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে