সালথায় আকস্মিক ঝড়ে বটগাছ পড়লো বসতঘরের উপর: মাথা গুঁজার ঠাঁই শেষ


ফরিদপুররর সালথায় আকস্মিক ঝড়ে বটগাছ উপড়ে গিয়ে পড়েছে বসতঘরের উপর। প্রাণে বেঁচে গেল একটি পরিবার । সোমবার (১৮মে) রাতে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা পশ্চিম পাড়া পিটুল মাতুব্বরের বাড়িতে এঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, পিটুল মোল্যার বাড়ির সাথে ইদগাহ মাঠের কোনায় রয়েছে পুরাতন একটি বটগাছ। আকস্মিক ঝড়ে বটগাছটি তার বসতঘরের উপর দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে। এসময় ঘরে থাকা পরিবারের সদস্য প্রাণে বেঁচে যান। আলৌকিক ভাবে পরিবারটি বেঁচে যাওয়ায় এলাকাবাসী দেখার জন্য ভীড় করছেন।
পিটুল মোল্যা বলেন, সন্ধ্যার পরপর উত্তর ও পশ্চিম দিক থেকে ঝড় ওঠে আসে। তখন ঘরের মধ্যে থাকা লোকজন বারান্দায় চলে যায়। আর খাটের উপর থাকা আমার পরিবারের একজন ঝড় দেখে গোয়ালঘর তালা দিতে যান। এসময় বিকট আওয়াজ দিয়ে বটগাছটি আমার ঘরের উপর এসে পড়ে।

সাথে সাথে ঘর ভেঙ্গে খাটের সাথে মিশে যায়। আল্লাহু নিজের আমাদের বাঁচিয়েছেন। তা নাহলে হয়তো বাঁচতাম না। দিনমুজুর পিটুল মোল্যার বসতঘর ও ঘরে থাকা মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। পরিবারের সদস্যরা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করবে৷
এছাড়াও ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙ্গে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। হঠাৎ ধমকা হাওয়ায় ভেঙে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা ও ছিড়ে পড়েছে বিদ্যুৎ এর তার । ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ধান ও পাট ক্ষেত।
এ ব্যাপারে সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক বলেন আমি খবর পেয়ে সাথে সাথে পিটুলের বাড়িতে যাই এবং তাদের অবস্থা দেখে মর্মাহত হই। আমদের দলের পক্ষ থেকে যতদুর সম্ভব তাকে সহযোগিতা করবো। দৈনিক ভোরের বার্তর এক প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মুহাঃ ছরোয়ার হোসেন বলেন আমার সাধ্যমত পিটুলকে সাহায্য করবো ইন্শাল্লাহ।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিন বলেন, বটগাছ পড়ে একটি পরিবারের ক্ষতি হওয়ার খবর পেয়েছি। ওখানে লোক পাঠানো হয়েছে। আমরা সরকারী ভাবে তাদের পাশে দাড়াবো।
অপর দিকে ঝড়ে ফুকরা বাজার জামে মসজিদের মেহরাবের টাইল্স খুলে পড়ে এসময় আতংকিত হয়ে পড়ে মুসুল্লীগণ। তবে ধারণা করা হচ্ছে বিল্ডিং এর ছাদ বর্জপাতে আঘাত হেনেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.













কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে