আগৈলঝাড়া বাহাদুরপুর মধ্যপাড়া জরাজীর্ণ ব্রিজটি যেন মরণ ফাঁদ-DBB


বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ঝুঁকিপূর্ন ব্রীজ দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ সাধারন লোকজন।ব্রীজের দু-পাশের হাতল নেই, মাঝ খানে ভেঙে গিয়ে ঝুকিপূর্ন হয়ে পরেছে।
জরাজীর্ণ ব্রীজটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি এলজিইডি বিভাগ।স্থানীয় দের প্রচেষ্টায় কাঠের পাটাতন ও বাশ দিয়ে মেরামত করে বাঁশের খুটি বাধিয়ে প্রতিদিন শতশত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই জরাজীর্ণ ব্রীজ দিয়ে পার হচ্ছেন।ব্রীজ দিয়ে লোকজন রাতের অন্ধ্যাকারে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুঘর্টনার শিকার হয়েছে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মধ্যে পাড়া নামক বাট্রা বাহাদুরপুর খালের উপর ২৫ বছর পূর্বে ব্রীজ নির্মান করা হয়েছিল।ব্রীজটি নির্মানের ৮-১০ বছর যেতে না যেতেই বিভিন্ন স্থানের হাতল ও মাঝ খানে ভেঙে যাওয়ার কারনে ব্রীজটি ঝুকিপূর্ন হয়ে পরে। ঝুকি নিয়ে ব্রীজ দিয়ে মরটসাইকেল, ভ্যান ও ইজিবাইক চলাচল করতে গিয়ে দুঘর্টনার শিকার হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীরা|
ওই ব্রীজ দিয়ে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন শতশত লোকজন চলাচল করছে। প্রতিদিন রাতেই ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুঘর্টনার শিকারহচ্ছে সাধারন লোকজন। বর্তমানে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারনে স্থানীয়রা চলাচল করতে পারছেনা। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে আশপাশের কয়েক গ্রামের শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারন লোকজন।
বিকল্প কোনো যাতায়াতের পথ না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও ওই ব্রীজ দিয়ে গ্রামবাসী সহ কোমলমতি শিশু-বৃদ্ধরা চলাচল করছে।ব্রীজের মাঝে ভেঙে যাওয়াসহ দুইপাশের হাতল নেই এবং বাশের খুটি বাধিয়ে চলাচলকরে স্থানীয় জনসাধারন।
এব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি বিভাগের প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বলেন, এই ব্রীজটির অবস্থা খুবই বেহাল| ব্রীজ সরেজমিন পরিদর্শণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জগদীশ মন্ডল আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রতিনিধি
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.













কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে