সালথায় শ্রেনিকক্ষ স্বল্পতার কারণে ভবনের বারান্দায় ক্লাস DBB


ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কুমারপুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি ভবনের একটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পাঠদানে শ্রেনিকক্ষ সঙ্কট হয়ে পড়েছে। ভবনের বারান্দায় চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। দ্রুত ভবনের দাবী বিভিন্ন মহলের।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুমারপুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি ভবন রয়েছে। তার একটি ভবনের তিনটি কক্ষের ছাদের পলিস্টার খসে পড়ছে নিচে। তাই ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অন্য ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। ওই ভবনটি রয়েছে তিনটি কক্ষ। একটি কক্ষে শিক্ষকরা তাদের অফিস করেন। বাকি দুটি কক্ষে চলে পাঠদান। শ্রেনিকক্ষ স্বল্পতার কারণে ভবনের বারান্দায় ক্লাস নেন শিক্ষকরা।
শিক্ষক নেতারা জানান, শ্রেণী কক্ষের অভাব একটি গুরুতর সমস্যা, যা শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। কুমারপুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রেণী কক্ষ না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং তাদের অসুবিধা হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধানে, দ্রুত ভবনের খুব প্রয়োজন।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমানুর রশীদ বলেন, বিদ্যালয়ের দুটি ভবনের মধ্যে পুরাতন ভবনটি ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পরামর্শে ওই ঝুঁকিপুর্ণ ভবনটিতে কয়েক মাস ধরে পাঠদান বন্ধ করা হয়েছে। আমাদের স্কুলে মোট ২০৬ জন শিক্ষার্থী রযেছে। একটি ভবনের অফিস রুম বাদে দুটি শ্রেনী কক্ষ আছে। শিশু শ্রেনীসহ ৬টি শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের দুটি কক্ষে পাঠদান করানো সম্ভব নয়। তাই বারান্দায় দুটি ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। আমরা ভবন চেয়ে উপজেলায় রেজিলেশন জমা দিয়েছি। দ্রুত ভবন পেলে পাঠদানে কোন ভোগান্তি হবে না।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, কুমারপুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষ সঙ্কটের বিষয়ে সরেজমিনে দেখেছি। কুমারপুটি বিদ্যালয়সহ আরো কয়েকটি বিদ্যালয়ের ভবনের জন্য উপজেলা শিক্ষা কমিটির মাধ্যমে খুব শীগ্রই শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি মোঃ আনিছুর রহমান বালী বলেন, কুমারপুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের বিষয়ে আবেদন পেলে, আমরা উপজেলা শিক্ষা কমিটিতে রেজুলেশন করে তারপর শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে অবহিত করবো।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.








