সালথায় খাদ্যে হলুদের গুড়ার মধ্যে চেতনা নাশক ঔষধ দিয়ে স্ব-পরিবারে হত্যা চেষ্টা DVB


মজিবুর রহমান
ফরিদপুরের সালথায় গত ২৯ শে ডিসেম্বর- রবিবার খাদ্যে চেতনা নাশক ঔষধ (হলুদ গুড়ার )সাথে মিসিয়ে দিয়ে হত্যা/ডাকাতির চেষ্টায় ব্যর্থ হয় প্রতারক চক্র।
সোনাপুর ইউনিয়নের বড় বাংরাইল গ্রামের বাদল সেখ পিং রত্তন সেখ এর বাড়ী সকাল ৯টার দিকে এঘটনা ঘটে। জানা যায় খিচুড়ী নাস্তা খাওয়ার পর ১৪ জন অসুস্থ্য হয়ে যায়। এদের মধ্যে শিশু ছিলে দুইজন (ওসমা আমিন-৬ বছর। দুধের শিশু ইব্রাহীম ৬ মাস) এমনকি মাঠের কৃষকগন ঐ নাস্তা খেয়ে মাঠের মধ্যেই অসুস্থ্য হয়ে পড়ে।
গত ইং- ২৯/১২/২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় আমার বড় ভাবী সামছুন্নাহার বেগম (৪০), আমার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২৮), আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী খাদিজা বেগম (২৫)গন আমাদের রান্না ঘরে খেচুরী ও মুরগী ভুনা করে। রান্না শেষে একই তারিখ সকাল অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় আমি সহ আমার ভাবি ১) সামছুন্নাহার বেগম (৪০), ২) ফাতেমা বেগম (২৮), ৩) খাদিজা বেগম (২৫), আমার ভাই ৪) মেহেদী হাসান (৩০)।
আমার ছোট বোন ৫) খাদিজা বেগম (৩২), আমার ভাতিজা ৬) উছামা আমিন (০৮), আমার ফুফু ৭) ছকিনা বেগম (৬০), আমার মা ৮) কাজল রেখা (৬৫) সহ আমার বোন খাদিজা বেগম এর শিশু সন্তান ৯) ইব্রাহিম (০৬) (তাহার বুকের দুধ খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে) এবং আমাদের কাজে নিয়োজিত কৃষক ১০) মোঃ মোস্তাফা মাতুব্বর (৪০), ১১) জামিল শেখ (৩৫), ১২) নাঈম মিয়া (২২) গন উক্ত খেচুরী ও মুরগী ভুনা খাওয়ার পর পরই আস্তে আস্তে করিয়া প্রায় সবাই অসুস্থ্য হইয়া পড়িতে থাকি।
আমার বড় ভাবি সামছুন্নাহার বেগম, আমার বোন খাদিজা বেগম, আমার ফুফু ছকিনা বেগমগনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাহাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি ও আমার ভাতিজা উছামা আমিন, আমার তাই মেহেদী হাসান, আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী খাদিজা বেগম, আমার স্ত্রী ফাতেমা বেগমগন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সাময়িক ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করি।
এবং কৃষক জামিল শেখ নগরকান্দা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়। আমি, আমার মা কাজল রেখা ও আমার কৃষক মোঃ মোস্তফা মাতুব্বর, নাঈমগন স্থানীয় ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা গ্রহণ করি। আমি সুস্থ্য হওয়ার পর আমাদের রান্না ঘরের সকল রান্নার উপকরন দেখিতে থাকি। তখন হলুদের গুড়ার মধ্যে সাদা পাওডার দেখিতে পাই।
ইহাতে আমার সন্দেহ হয় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি/ব্যক্তিরা সু-কৌশলে আমাদের রান্না ঘরের ভিতরে থাকা হলুদের গুড়ার মধ্যে চেতনা নাশক ঔষধ দিয়াছে। আমি ঘটনাটি আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
সোনাপুর ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান (বাবু)মোল্লা বলেন হা এ ঘটনা সত্য এটা খুবই দুঃখ জনক ব্যাপার আমি এর সত্য উদঘাঠনের জন্য সালথা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাই। সালথা থানা নির্বাহী অফিসার আতাউর রহমান জানান এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছে,তদন্ত করে আমরা এর ব্যবস্থা গ্রহণ করিব।
মজিবুর রহমান সালথা ফরিদপুর প্রতিনিধি।
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.











কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে