September 26, 2022

দৈনিক ভোরের বার্তা

সঠিক পথে সত্যের সন্ধ্যানে

 ৩৫ কেজি ওজনের একটি আলু বিক্রি হলো-১০০০ টাকা

1 min read
আলুটি স্থানীয় ইছাখাদা বাজারে নিয়ে গেলে

ছবি-সংগৃহীত

মাগুরায় গত মঙ্গলবার (জানুয়ারি) সদর উপজেলার ইছাখাদা বাজারে স্কৃষক মীর আজাদ এক হাজার টাকায় বিক্রি করেন ৩৫ কেজি ওজনের আলুটি, এক ব্যবসায়ীর কাছে

 

উক্ত কৃষক জানান দুই বছর আগে বাড়ির আঙিনায় মুন্সীআলু (স্থানীয় নাম) চাষ করি। পাশের গ্রাম নড়িহাটির কৃষক ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে ওই আলুর বীজ এনে রোপণ করি। প্রথম বছর একটি আলু ২২ কেজি হয়।

সেটি আশপাশের মানুষের মাঝে বিলি করি। সেখান থেকে আরও চারটি বীজ রোপণ করি। সেখান থেকে একটি আলু আজ (মঙ্গলবার) তুলেছি। যার ওজন ৩৫ কেজি।

 

তিনি আরও জানান, আলুটি স্থানীয় ইছাখাদা বাজারে নিয়ে গেলে ফরিদপুর থেকে এক পাইকার এসে ৩০ টাকা কেজি দরে এক হাজার ৫০ টাকায় আলুটি কিনে নেন। এসময় আলুটি দেখার জন্য উৎসুক মানুষ ভিড় করেন। ইছাখাদা বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী কাজী সাইফুল ইসলাম জানান, আলুটি দেখে হতবাক হয়েছি। এতো বড় আলু আমি আগে কখনো দেখিনি।

 

প্রতিবেশী জাহিদুল ইসলাম জানান, বাড়ির পাশে মুন্সীআলুর চাষ করেন মীর আজাদ। গত বছর একটি ২২ কেজি ওজনের আলু মাটি থেকে তুলেছিল সেই আলুর কিছু অংশ আমাকে দিয়েছিলেন। আজ আরেকটি আলু তোলা হয়েছে সেটির ওজন অনেক বেশি।

 

আলু ক্রেতা তপন বিশ্বাস জানান, এধরনের আলু খুবই কম দেখা যায়। আমি এটা পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। ফরিদপুরে নিয়ে যাবো। আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো।

 

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মাহমুদ জানান, সাধারণত এ ধরনের আলু পতিত জমিতে বা বাড়ির আঙিনায় দেখা যায়। বৈশাখ মাসে এ আলুর বীজ রোপণ করতে হয়।

মাটির নিচে হওয়া এ আলু চাষে তেমন কোনো খরচ হয় না। এক বছর বা এর অধিক সময়ের ব্যবধানে এ আলুর ওজন ৪০ থেকে ৫০ কেজিও হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন

দৈনিক ভোরের বার্তা

 

Leave a Reply

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial