বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা অডিটোরিয়ামে মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সালথা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৮টি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের ৩১৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস.পাঠের তৈরী ব্যাগ, জুতা বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বপ্রথম বাংলাদেশে মেয়েদের প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি শিক্ষাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার সুযোগ্য পুত্র ও উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্যোগকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে শিক্ষার সুযোগ আরও চার বছর বাড়িয়ে গ্র্যাজুয়েশন পর্যন্ত নিয়ে গেছেন।’ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে শামা ওবায়েদ বলেন, গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। শিক্ষা খাতকে এগিয়ে নিতে বর্তমান অর্থবছরের বাজেটে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মহা. তাশেম উদ্দিন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আফরোজা সুলতানা, ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছাদ মাতুব্বর, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ আজিজুল হক, ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন ছিলেন।

তারই ধারাবাহিকতায় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম, পাটের তৈরি ব্যাগ, জুতা ও মোজা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও পরিকল্পনাশিক্ষার্থী সংখ্যা: দেশের প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় আসবে।
পাইলট প্রকল্প: প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি উপজেলার নির্দিষ্ট কিছু বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই সামগ্রী বিতরণ শুরু করা হয়।বাস্তবায়ন: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তর মিলে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com