ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় হাট-বাজারসহ গ্রাম গঞ্জের অলি-গলিতে দেখা মিলেছে টিকিট বিক্রি করতে !বৈশাখী মেলার নামে অবৈধ লটারি বিক্রি হচ্ছে, প্রতিদিন এদের চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচারনায় লটারি ক্রয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে উঠতি বয়সী তরুন যুবকেরা ও সাধারণ জনগন ।
লটারি নামক এই জুয়ায় আসক্ত হয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যার ফলে এলাকায় চুরি ছিনতাই এর আশঙ্কা বাড়ছে। এটা বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ করছে স্হানীয় মহল !
পার্শবর্তী কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর মাঠে সার্কাস এর সাথে বৈশাখী মেলার নামে এ অবৈধ লটারি বিক্রি করছে।সাথে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর,এবং যাত্রাপালার অশ্লিল নৃত্য! প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাশিয়ানীতে অনুমতি থাকলেও পাশ্ববর্তী দুই উপজেলায় বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গাতে চলছে জমজমাট এই জুয়ার টিকিট বিক্রি!
এগুলো কার ইশারায় চলছে?প্রশাসনই বা কেন এত নিরব এ ব্যাপারে?কাশিয়ানী উপজেলার পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর জেলায় টিকিট বিক্রি অনুমতি পত্র দেখতে চাইলে সোহান বলেন আমরা বেতনভূক্ত কর্মচারী, কোন কাগজপত্র দেয়নি,আমাদের ম্যানেজার আছে তার সাথে কথা বলেন। আলফাডাঙ্গা উপজেলা টিকিট বিক্রি মেনেজার আব্বাস আলি বলেন মৌখিক অনুমতি আছে,এগুলো সবার সাথে ম্যানেজ করে বিক্রি করতে হয়।
বৈশাখী মেলার লটারি সেক্টরের দ্বায়িত্বরত বিল্পব সাহা( +88017112,,,, 644)বলেন,আপনার সব প্রশ্ন সঠিক,তবে অনুমতি পত্র কাছে নেই মেলা কর্তৃপক্ষের কাছে আছে। আপনি টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দেন,অথবা ওখানে আমাদের পরিচালনার লোক আছে দেখা করেন সমঝোতা করবে।
এদিকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত নূর মৌসুমী মুঠোফোন কল দিলে বার বার কেটে দেন এবং হোটসঅ্যাপ এ বক্তব্য চাইলে তার কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
আরিফুজ্জামান চাকলাদার
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com