ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নে চার পাঁচ মিনিটের সাত গ্রামে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি, ফসলি জমির ইরি ধান ও বিদ্যুৎ লাইনে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার (২১ এপ্রিল) সকাল দশটা চলিশ মিনিটের দিকে আকস্মিকভাবে পৌরসভা শ্রীরামপুর কুসুমদি, মিঠাপুর, ধলেইচর অংশ ও সদর ইউনিয়ন ধলেইচর,শুকুর হাটা, ব্রাক্ষণজাটিগ্রাম,বিদ্যাধর সহ একটি ঘূর্ণিঝড় হয়েছে ।
খোজ নিয়ে জানা যায়, সকালে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে পৌরসভার মধ্যে দুইটি, ধলেইচর ও ব্রামণজাটিগ্রাম একটি করে বিদ্যুৎ'র খুটি এবং শ্রীরামপুর চারটি বাড়ির ঘরের চালা ভেঙে যায়, ব্রামণজাটিগ্রাম টেপু কাজি টিনের ঘরের উপর গাছ পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।আরো বিভিন্ন গ্রামে আরো কয়েকটি ঘরের চালা উড়ে গেছে এমন সংবাদ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে,সকালে হটাৎ প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাত শুরু হতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে কয়েকটি ঘরবাড়ির চালা উড়ে যায়, গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং বিদ্যুৎ খুঁটি ভেঙে পড়ে যায়। এতে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
আলফাডাঙ্গার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) সোহানুর রহমান জানান, “ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের পৌরসভা দুইটি ও সদর ইউনিয়নে দুটি মোট চারটি খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং বৈদ্যুতিক লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।৫.৩৫ মিনিটের দিকে পৌর এরিয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করেছি,অন্যান্য জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করতে সময় লাগতে পারে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার শাহা বলেন,ঘূর্ণিঝড়ের সংবাদ পেয়েছি ফসলি জমির তেমন কোন ক্ষতি হয় নাই। কিছু ইরি ধান মাটিতে পড়েছে যা কর্তন যোগ্য।আরো খোজখবর নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা প্রশাসক স্যারকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরিফুজ্জামান চাকলাদার
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com