ফরিদপুরের সালথায় গ্রামের কোনো পক্ষে যোগ না দিয়ে ‘স্বাধীনভাবে’ বসবাস করতে চাওয়া এক ব্যক্তিকে লাঠিপেটা করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর বাংরাইল গ্রামের মো. মিন্টু মুন্সী (৬৫) হামলার শিকার হন জানিয়ে থানার ওসি মো. আতাউর রহমান বলেন, অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহতের স্বজনেরা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, এদিন দুপুরের পর মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আজাদ মুন্সী ও সেলিম মুন্সীর নেতৃত্বে ৮/১০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে মিন্টু মুন্সীর ওপর অতর্কিতে হামলা চালান। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা দাবি করেন, কিছুদিন ধরে আজাদ ও সেলিমসহ গ্রামের কিছু লোকজন তাদের পক্ষে যোগ দেওয়ার জন্যে মিন্টু ও আরও কয়েকজনকে চাপ দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় ৮ এপ্রিল ও তার আগে ২৯ মার্চ দুই দফা হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও ‘লুটপাট’ করা হয়। আহত করা হয় কয়েকজনকে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ৯ এপ্রিল চর বাংরাইল গ্রামে ২০ পরিবার মানববন্ধন করে কোনো দল বা কারো পক্ষে যোগ না দিয়ে ‘স্বাধীনভাবে’ বসবাস করার আকুতি জানান।
মিন্টুর স্বজনেরা অভিযোগ করেন, মানববন্ধনের পর আজাদ মুন্সী, সেলিম মুন্সী ও তাদের পক্ষে লোকজন আরও ক্ষুব্ধ হন এবং আবার হামলার হুমকি দেন। শুক্রবার মিন্টুকে একা পেয়ে হামলা করে।
এ ব্যাপারে উক্ত সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান খায়রুজ্জামান বাবু মোল্লা বলেন আমি এই মাত্র আপনার মুখ থেকেই এঘটনা জানতে পারলাম।আমি শা্ন্তি প্রিয় মানুষ গন্ডোগোল মারামারি আমি পছন্দ করিনা ,যদি কেউ এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাহলে এট অন্যায়।
সালথা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com