বোয়ালমারীর রুপাপাত ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অবৈধ্যভাবে সরকারি গাছ বিক্রি অভিযোগ DVB


ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মোল্লা (সোনা মিয়া) বিরুদ্ধে অবৈধ্য ভাবে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত বৃহস্পতিবার(২৩ জানুয়ারি) ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পুকুর পাড় থেকে তিন দিন ধরে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাছের গোড়া করাত দিয়ে ও গালপালা দা দিয়ে কাটতে দেখা যায়। মোট মোটা গাছের গুড়ি রাস্তার উপর ও গালপালা নাসিম বোঝাই করে ঐ স্হান থেকে সরাতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশের আনিছুক এক মেম্বর বলেন,রেজুলেশন ছাড়া ২০ জানুয়ারি থেকে গাছ কাটা শুরু করছে। এ নিয়ে ইউনিয়নে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে সকল মেম্বরদের ডেকেছে চেয়ারম্যান। ২৩ জানুয়ারি বোর্ড অফিসে এসে দেখি ছোট বড় ১৩ টি মেহগনি,১টি রেন্টি,১টি কড়াই,১টি জিকা গাছ সহ চাম্বল গাছের মোটা মোটা ডাল ও দোডালের একাংশ কাটাতে এবং ফেসবুকসহ জনগণের মুখে গাছ কাটা অভিযোগের সত্যতা মিলে।
যার আনুমানিক মূল্য হবে ৫০ হাজারের উপর।আরো জানা যায় কোন রেজুলেশন ছাড়াই গাছ কাটতে,পরে মেম্বরদের ডেকে অফিসে রেজুলেশনে স্বাক্ষর করানো চেষ্টা করে।তিন জন স্বাক্ষর দিয়েছে এই নিয়ে পরিষদে তুমুল হট্টগোল হয়।আমি চলে আসি পরে কয়জনের স্বাক্ষর হয়েছে জানিনা।
ইউপি সদস্য মুন্জুরুল ইসলাম বলেন,চেয়ারম্যান আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকায় তিনটি গাছ বিক্রি করছে।ঐ টাকা সচিবের কাছে দিয়ে দেই,গ্রাম পুলিশ স্বাক্ষী আছে। লেবার দিয়ে গাছ কাটা শুরু করেছি,ওনি আবার অন্য জায়গা বেশি পেয়ে পনের হাজার টাকা বিক্রি করে দেয়।আমার লেবারের টাকা ফেরত চেয়েছি দেয়না, এই নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে চারিদিকে জানাজানি হয়। তবে পুকুরে একটি ঘাটলা হবে সেই জায়গায় একটি গাছ এবং পুকুরের ভিতরে দুইটি বাঁকা গাছ ছিল, সেই গুলো বিক্রি করা হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন,ঘাটলা হবে ভেকু নামানোর জন্য পুকুরের ভিতর হেলে যাওয়া গাছ মুন্জুর মেম্বরকে বিক্রি করতে বলি। সেই সুযোগে তিনটি গাছ কেটেছে। পাঁচ হাজার টাকা দেয়, পরে এসে যাচাই করে পনের হাজার টাকা বিক্রি করে পরিষদের জমা দিতে বলি।এই সমস্ত টাকা লোভ লালসা করি না, আমার প্রতিদিন গাড়ির খরচ হয় পাঁচ হাজার টাকা।রেজুলেশন আছে কি জানতে বলেন ইউএনও স্যারের মৌখিক অনুমোদন নিয়েছি,এখন রেজুলেশন করবো।তবে মুন্জুরুল মেম্বর কে গাছ দেই নাই বলে আমরা বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হাসান চৌধুরী সাথে মুঠোফোনে অভিযোগ করলে বলেন, অভিযোগ পেলাম বিষয়টি দেখবো।তবে আমি যতোটুকু জানি ঐ ভাবে নয়,ভেকু দিয়ে পুকুর সংস্কারের কাজ হবে সে জন্য একটি গাছ কেটেছে। বিকেলে গণমাধ্যম কর্মী অভিযোগ করার পরে ও সন্ধা পর্যন্ত গাছ কাটছে এমন অভিযোগ আবারও মুঠোফোন করলে এবং দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্হা নিলে এমন কাছ করতে সাহস পাবেনা উত্তরে বলেন আপনারা সত্য তুলে ধরেন,আমরা ব্যবস্হা নিবো।
নিজস্ব প্রতিবেদক
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.











কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে