সারা দেশের ন্যায় সালথায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল


আজ সোমবার (১৬ সেঃ) ১২ই রবিউল আওয়াল সারা দেশের ন্যায় ফরিদপুরের সালথায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।
বেলা ১১ঘটিকায় সালথা উপজেলা সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মহানবীর জীবনা –আর্দশ সম্পর্কে আলোচনা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনায় করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম সামচুল আলম, এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুকরা ৭নং ওয়ার্ডের স্বনামধন্য ইউপি সদস্য আবুল হোসেন (হাসান মেম্বর) সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকার সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন, হাজী মাওলানা তায়্যিবুর রহমান, ও অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা বৃন্দ এবং ছাত্র/ছাত্রীগন
অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের মাছে কোরআন তেলাওয়াত হামদ নাত এর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ মহানবী সাঃ এর রুহের মাগফেরাত কামনা ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া কামনা করা হয়। দোয়া পরিচলনা করেন হাজী মাওলানা তায়্যিবুর রহমান।
দোয়া শেষে কোরআন তেলাওয়াত হামদ নাত এর প্রতিযোগিদের পুরুস্কৃত করা হয়। এবং সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এবং সালথা উপজেলায় ১২ই রবিউল আওয়াল সঃ উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় বলে জানা যায়।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ সোমবার ১২ রবিউল আউয়াল। ৫৭০ সালের এই দিনে মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।আজ সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে সরকারি ছুটি।এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এক সময় গোটা আরব সমাজ অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। তারা মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃংখলা। এ সময়কে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগ। তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতাআলা রাসুলুল্লাহকে (সা.) প্রেরণ করেন এই পৃথিবীতে।
কিন্তু অসভ্য-বর্বর আরব জাতি তার দাওয়াত গ্রহণ না করে তার ওপর নিপীড়ন শুরু করে। বহুমাত্রিক শয়তানি চক্রান্ত আর ষড়যন্ত্র করতে থাকে একের পর এক। মহান আল্লাহর সাহায্যের ওপর ভরসা করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম চালিয়ে যান তিনি।
বিদায় হজের ভাষণে তিনি আল্লাহর বাণী শুনিয়েছেন মানবজাতিকে :‘আজ থেকে তোমাদের জন্য তোমাদের দিন তথা জীবনব্যবস্থা পরিপূর্ণ করে দেওয়া হলো। তোমাদের জন্য দিন তথা জীবনব্যবস্থা হিসেবে একমাত্র ইসলামকে মনোনীত করা হয়েছে।’
হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইতিহাসের অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব। অন্য ধর্মাবলম্বীরাও তাকে মানবজাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কারক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী বিখ্যাত পণ্ডিত মাইকেল এইচ হার্ট তার বহুল আলোচিত ‘দ্য হান্ড্রেড’ গ্রন্থে হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে স্থান দিয়েছেন।
ব্রিটিশ মনীষী সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ বলেছেন, এই অশান্ত পৃথিবীতে তার মতো একজন মানুষের প্রয়োজন। তিনি বেঁচে থাকলে পৃথিবী জুড়ে সুখের সুবাতাস বইত। তার আগমনে যে বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল, দুনিয়া জুড়ে তা বিস্তৃত হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.













কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে