সালথায় বিধবা নারীর আঁকুতি সন্তানদের নিয়ে বাঁচতে চাই একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই চাই-DVB


আমি আমার সন্তাদের নিয়ে এই পৃথিবী বাঁচতে চাই এই কথা গুলো বলে কেঁদে দিলেন এক অসহায় নারী। ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এর মৃতঃ মোঃ জাহিদ সেখ পিং মোঃ শামচু সেখ, গ্রাম-ফুকরা, পোস্ট-সালথা, জেলা-ফরিদপুর।
মোঃ জাহিদ সেখ (৩৫)গত এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে দুরারোগ্য ব্যাধিতে মারা যান, মৃত্যকালে তিনি দুই ছেলে এক মেয়ে রেখে যান। জাহিদ ৬ ভাই এক বোনের মধ্যে মেঝ ছেলে তার স্ত্রী গোলাপী বেগম (৩০) তিনি বলেন আমার বড় মেয়ে আছিয়া (১০), মেজ ছেলে আলী আকবর (৮) মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। ছোট ছেলে আমির হামজা (৩) ও আমার কোলে।
জাহিদ রাজমিস্ত্রির যোগাইলার কাজ করতো মোটামুটি ভাবেই চলছিল তাদের সংসার বিধিবাম হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ায় তার চিকিৎসার ব্যয়ভার যোগাতে সংসারে সব কিছু শেষ হয়ে যায়, অনেকেই চিকিৎসার জন্য কিছু টাকা পয়সা দান করে ছিলো। প্রায় এক মাস যাবৎ চিকিৎসা পর আমাদের মাঝ সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে চলে গেলো পরাপারে।
আমি আমার সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে পারছিনা, খাওয়া দাওয়া চলছে মানুষের সাহায্য সহযোগিতায়, কেঁদে দিয়ে বলেন আমি এই ঈদে কোন ছেলে মেয়েকে কোন নতুন কাপড় চোপড় কিনে দিতে পারিনি।
আমার কাছে ওরা যদি কিছু চায় ওদের শুধু আমি বলি দিবো মা কয়েকদিন পর দিবো এ ছাড়া আমার আর কিছু বলার থাকেনা। ওরাত বুঝেনা আমি অসহায় ওদের বাবা নেই তোরা যে এতিম কি করে চাহিদা পূরণ করবো। আল্লাহ তুমি আমাদের সাহায্য করো। বাড়ির আশেপাশে খোঁজ নিয়ে জানা যায় মানুষ যা সাহায্য করে তা দিয়ে চলছে তাদের সংসার খেয়ে না খেয়ে চলছে এদের পরিবার।
এত্র ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ হোসেন মেম্বর জানান আমি যতদুর পারি ওদের কে সাহায্য সহযোগিতা করছি দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন এর সাংবদিক মোশাররফ হোসেন এর প্রশ্নের জবাবে বলেন এই ঈদের সময় সরকারি সাহায্য ৩০ কেজি চাউল তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।
এখন কোন সরকারি কার্ড গোলাপী বেগমের নামে হয়নি । কার্ড আসলে অবশ্যই তার নামে কার্ড করে দিবো। সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাবু মোল্যা জানান ঈদের আমার কাছে তাদের কোন লোক আসেনি। আর এখন কোন সরকারি ভাতার কার্ড নেই আসলে দিতে পারবো।
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক ভোরের বার্তা
About Author
Leave a reply
You must be logged in to post a comment.














কবিতা: অনুতপ্ত হতে হবে