ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মৌসুমের শুরু থেকেই স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে ধানের দর সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি ছিল। তাই কৃষকরা সরকারি গুদামের কাছে ধান চাল বিক্রি না করে পাইকারি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন।সরকারের ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবারও তা পূরণ হয়নি।
খাদ্য অধিদপ্তর ২৭ নভেম্বর থেকে ৩০ টাকা কেজি ১২০০ টাকা মণ দরে আমন ধান, ৪৪ টাকা কেজি দরে ১৭৬০ টাকা মণ সিদ্ধ আমণ চাল আর ৪৩ টাকা কেজি দরে ১৭২০ টাকা মণ আতপ চাল কেনা শুরু করে। সংগ্রহ অভিযান ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হলেও ২য় ধাপে ৬ মার্চ মেয়াদ বাড়ায়।
সিদ্ধ চাল আর ধান সংগ্রহে সময় বৃদ্ধি করা না হলেও আতপ চাল সংগ্রহের সময় বাড়ানো হয় ১০ মার্চ পর্যন্ত। খাদ্য গোডাউন এলএসডি একটি সূত্র জানায়, এ বছর আলফাডাঙ্গা উপজেলায় আমন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১৩৭ মে. টন ধরা হলেও সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১৮ মে. টন যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১৩.১৪ শতাংশ। অন্যদিকে আমন সিদ্ধ ১২৫ মে.টন এর মধ্যে মিলার মেসার্স শ্যামা রাইচ মিল বিল্পব কুণ্ড পলাশ ১২৫ মে. টন সরবরাহ করেছে। আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৪৩ টন নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চাল সংগ্রহ করতে পারেনি।
খাদ্য গোডাউন এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানাউল্লাহ মুক্তখরব কে বলেন,স্হানীয় হাট বাজারে ধানের দাম ১২২০ টাকা থেকে ১৩০০ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষক কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। কেন ধান চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি এ প্রশ্নের জবাবে ফরিদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফরহাদ খন্দকার বলেন, ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা সম্ভব হয়নি।সেজন্য ধান সংগ্রহ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।চাউল ক্রয় সফল হয়েছি।
আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com