মৎস অফিসার পরিচয় দিয়ে অফিস সহকারী মনির অনিয়মের আখড়া বসিয়ে রাতারাতি শুধু আঙ্গুল ফুলে কলা গাছই নয় তিনি এখন সোনায় সোহাগায় পরিনত হচ্ছে। তবে সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তার অফিসের লোকজন। এমন কথা বলে মনির অফিস স্টাফদের হুশিয়ারী ব্যাক্ত করেন।
ভোলা সদর উপজেলার মৎস অফিসের অফিস সহকারী পদে কর্মরত এই মনির নিজ জেলা লক্ষিপুরে কর্মরত ছিলেন। বিধি মোতাবেক সে স্থানান্তরিত হয় ভোলা উপজেলা মৎস কর্মকর্তার কার্যালয়ে। ভোলায় আসতে না আসতেই তার অর্থের লোভ এতটাই বেড়েগেছে যা সংকুচিত করা তার দারাও অসম্ভব্য বিষয়ে পরিনত হয়েছে।
মনিরের অনিয়মের বিরুদ্ধে গত ৩১ জানুয়ারী জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ স্থানীয় পত্র পত্রিকাতে ""ভোলায় মৎস অফিসের সহকারী মনিরের তেলেসমাতি"" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর ভোলায় সংবাদ কর্মীদের পিছনে ঘুর ঘুর শুরু করেছে।
মনির ঘুরঘুর করছে পত্রিকা অফিসগুলোর দ্বারে দ্বারে । অবশেষে মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করে এই সংবাদ প্রকাশের প্রতিবেদকদেরকে আর সংবাদ না প্রকাশের বিনীত অনুরোধ করেন। এসময় পিয়ন মনির প্রতিবেদকদের উৎকোচ দেওয়ার জন্য কিচু টাকা নিতে জোড় অনুরোধ ও জানান।
এসময় মনির হোসেন বলেন ভাই এটা আপনাদের গাড়িভাড়া ও চা খরচ আপনারা আমার ভাই প্রতিবাদ লিপি প্রকাশের জন্য যত টাকা দরকার দিবো। তবে আমি ভোলায় আর চাকরি করবো না বলেও জানান মনির। মনির বলেন আমাদের অফিসে কে আমার বিরুদ্ধে কি করেছে সকল প্রমান আছে । আমি আপনাদের সাথে না পারলেও তাদের কে ঠিকই দেখে নেব।
আমি মনির কতটা ভয়াবহ হতে পারি তা দেখবেন এখান থেকে যাবার পরে। তবে প্রকাশিত সংবাদ এর বিষয়ে মনির বলেন তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে প্রতিবেদক সংবাদটি প্রকাশ করেছে। কিন্তু আমার অফিসের লোকজনই সাংবাদিকদের তথ্য দিয়েছে যারা তথ্য দিয়েছে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি মনিরের।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস অফিসার নাজমুস সালেহীন বলেন মনিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেয়া হবে ।
ভোলা প্রতিনিধি
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com