'ফরিদপুর বিভাগ' চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট ফরিদপুরের গণমানুষের প্রত্যাশার
কবিতাঃ শেখ মুজিবের ফরিদপুর
লেখক ঃ-ইসমাইল হোসেন ফরিদ
সিনিয়র শিক্ষক- ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
[ কবিতাটির প্রত্যেক লাইনের প্রথম অক্ষরগুলো নিচের দিকে ধারাবাহিকভাবে পড়লে পাওয়া যাবে কবিতাটির নাম 'শেখ মুজিবের ফরিদপুর'। ]
শেষ হাসিটা হাসাও মোদের
খবর আসুক ভেসে,
মুজিব এ জেলার সন্তান বলে
জিতলে অবশেষে ।
বেরিয়ে এসে বল তুমি,
"রক্তের হলো জয়,
'ফরিদপুর' নামটিই বেছে নিলাম
'রিভার' এর নাম নয়।
'দহন' নিয়ে বাঁচবে কেন?
পুরো জীবন ধরে,
রক্তের টানে 'ফরিদপুর' নামেই দিলাম বিভাগ করে।"
[৫টি জেলার মাতৃসম মূল জেলা বিশিষ্ট আউলিয়া শাহ ফরিদ উদ্দীন মাসুদ (রঃ) এর নাম অনুসারে নামকরণ করা ফরিদপুরে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। এ স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানোর জন্য 'ফরিদপুর বিভাগ' নামেই বিভাগটি হওয়া উচিত বলে মনে করেন ফরিদপুরের সর্বশ্রেণির মানুষ।
যে জেলায় স্বাধীনতার স্থপতির জন্ম সেই জেলার নামে বিভাগটি হোক তা পুনর্বিবেচনার জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট ফরিদপুরের সর্বশ্রেণির মানুষের আকুল আবেদন নিয়ে লেখা এই কবিতাটি।
এখানে 'বেরিয়ে এসে বল তুমি' বলতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাবটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে, 'দহন নিয়ে বাঁচবে কেন' বলতে ফরিদপুরবাসীর মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকা এবং 'রক্তের হলো জয়' বলতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ফরিদপুরের রক্তের সম্পর্কের জয় হলো বোঝানো হয়েছে।
দৈনিক ভোরের বার্তা
হেড অফিস: বনশ্রী (৬ম তলা), বাড়ি-৯/ই, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: রাফেলস ইন মোড়, আর.কে প্লাজা(৩য় তলা), গোয়ালচামট, ফরিদপুর-৭৮০০।
02-55123351, 09638-185366, 01912-144136, +8801559-626229, info@dainikbhorerbarta.com